About Kanij Fatema

মিলিমিশিতে এখন নিয়মিত কুইজ দেওয়া হয় না কেন? আর পয়েন্ট কবে থেকে চালু হবে।

ঢাকাতে এত গরম পড়তেছে কেন?

একটি সুন্দর স্বাক্ষাতকারঃ
------
সানজিদা বারী: আমার জন্ম নারায়ণগঞ্জে। এমনকী বেড়ে ওঠাও এই শহরে। নারায়ণগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হই মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে। সবশেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেছি।


পড়াশোনার ক্ষেত্রে কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল কি?
সানজিদা বারী: পড়াশোনার ক্ষেত্রে আমার কখনো কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল না। আমি পড়াশোনাটা সব সময়ই উপভোগ করতাম এবং এখনো করি। ভালো ফলাফল বা কোন কিছু পাওয়ার উদ্দেশ্যে কখনো পড়াশোনা করিনি। এমনকী এখনো করি না। জানার জন্য পড়ি এবং মনে হয় প্রচুর পড়ি! আমার মা সব সময়ই বলেন, আমি নাকি বইয়ের মহাসমুদ্রে বসবাস করি। কারণ আমার কক্ষে এবং আমার আশেপাশে আর কিছু পাওয়া যায় না, শুধু বই ছাড়া!

জাতিসংঘে কাজ করার স্বপ্ন দেখেছিলেন কবে থেকে?
সানজিদা বারী: মানুষের জন্য কাজ করার ইচ্ছা সব সময়ই ছিল। আমার মনে হয়েছে, মানুষের জন্য কাজ করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের চেয়ে ভালো কোন প্লাটফর্ম হতে পারে না। আমার মনে হয়, মানুষের উচিত দেশ, কাল, পাত্রভেদে সব মানুষের প্রতি সহমর্মিতা, ভালোবাসা এবং মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া। যেই ভালোবাসা কাঁটাতারের সীমান্তে ভাগ হয়ে যায়। মানুষের সাথে মানুষের ভেদাভেদ তৈরি করে, সেই ধারণার সাথে আমি একমত নই। জাতিসংঘে কাজ করার মানে হলো পৃথিবীর জন্য কাজ করা এবং বিশ্ব নাগরিক হয়ে ওঠার একটা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা।

আপনার জাতিসংঘ যাত্রার গল্প শুনতে চাই—
সানজিদা বারী: আমার ক্যারিয়ার যাত্রার গল্পটা শুরু করতে হবে কলেজ থেকে। কলেজে পড়ার সময়ে সর্ব প্রথম সাহিত্য, লেখালেখি এবং জীবন সম্বন্ধে ভাবতে শুরু করি। কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগে ভর্তি হই। সেখান থেকে ব্যাচেলর অব সোশ্যাল সায়েন্স এবং মার্স্টাস অব সোশ্যাল সায়েন্স সম্পন্ন করি। আমার বিশ্ববিদ্যালয় জীবন ছিল বৈচিত্রময়। আইএলওতে কাজ করার আগে বিভিন্ন এনজিও, বিজ্ঞাপন সংস্থায় কাজ করেছি। ইউনাইটেড ন্যাশন্স ভলান্টিয়ার্সের যোগাযোগ বিভাগে কাজ করেছি। এছাড়াও অনেক সেচ্ছাসেবী সংস্থায় কাজ করেছি। আমি বাংলাদেশ স্টাডি ফোরাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি এবং এখানে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের বিশেষ করে তরুণদের পাঠাভ্যাস নিয়ে কাজ করেছি। মাঝে কিছু সময় অভিনয়ও করেছি। আমার অভিনীত প্রিয়-অপ্রিয় আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কারপ্রাপ্ত।

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে যারা কাজ করতে চায়, তাদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কি?
সানজিদা বারী: জাতিসংঘে যারা কাজ করে তাদের বলা হয় ইন্টারন্যাশনাল সিভিল সার্ভেন্ট। তাই এখানে কাজ করার প্রথম ধাপ হচ্ছে- আপনাকে শুধু নাগরিক নয়, বিশ্ব নাগরিক হয়ে উঠতে হবে। নিজের সংকীর্ণ মনোভাব বাদ দিয়ে মানবিক আচরণ করতে হবে। জাতিসংঘে কাজ করার জন্য তিনটি বিষয় খুব জরুরি- অভিজ্ঞতা, ভালো লিখতে পারা এবং তুখোড় বিশ্লেষণী দক্ষতা। এছাড়া ইংরেজিতে ভালো লিখতে এবং কথা বলার দক্ষতা অবশ্যই থাকতে হবে। জাতিসংঘে যোগ দেওয়ার আগে অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে বিশেষ করে এনজিও অথবা অন্য কোন সংস্থায় বা লেখালেখির সাথে যদি কোনোভাবে জড়িত থাকেন, তাহলে সেটা আপনার জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। প্রচুর সহশিক্ষামূলক কাযর্ক্রমে অংশগ্রহণ থাকতে হবে। পাঠ্য বইয়ের বাইরের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে হবে। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, কোন একটা ঘটনাকে বিশ্লেষণ করার দক্ষতা থাকতে হবে। তার জন্য দেশ-বিদেশের চলমান রাজনীতি, অর্থনীতি সম্বন্ধে ধারণা থাকা প্রয়োজন। আর জেন্ডার সেনসেটিভ হতে হবে। একজন নারী কেন নারী হওয়ার জন্য বৈষম্যের শিকার হয়। পুরুষ কীভাবে নারীকে শোষণ করে। সে সম্বন্ধে সজাগ এবং বিশ্লেষণী দক্ষতা থাকা জরুরি। সচেতন, মানবিক এবং তুখোড় বিশ্লেষণী দক্ষতা হলো জাতিসংঘে কাজ করার প্রধানতম যোগ্যতা।

কারো কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন কী?
সানজিদা বারী: আমার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা আমার মা। তিনি আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধুও। আমার সব ভালো কাজের পেছনে মা-ই আমার প্রধানতম অনুপ্ররেণা। আর বাবা আমার সব অর্জন নিয়ে বরাবরই গর্বিত। ছোটভাই আমার সব কাজের প্রধান সমালোচক। তাই বলা যায়, আমার পরিবারই আমার প্রধানতম শক্তি। এছাড়া রুমী ও লিও তলস্তয় আমার প্রিয় লেখক। তারাও অনুপ্রেরণার একটা বড় উৎস হিসেবে কাজ করে। আমার জীবনে শিক্ষকদেরও ভূমিকা আছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

কাজ নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি?
সানজিদা বারী: পিঙ্ক ফ্লয়েড আমার প্রিয় ব্যান্ড। তাদের একটা গান আছে। সেই গানের লিরিক্স হচ্ছে এরকম—

হ্যাঁ, আমি চেষ্টা করি। আমার নিজের এবং আমাদের সমাজের গুণগত পরির্বতন আনার চেষ্টাটা আমি করেই যাবো আজীবন। হয়তো বা সারাজীবন! এছাড়াও নিজেকে শুধু দেশের গণ্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে চাই না। এখন কাজ করছি জাতিসংঘ বাংলাদেশে। ভবিষ্যতে হয়তো বা কাজ করবো অন্য দেশে শ্রমিক অথবা শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষে। এছাড়াও লেখক হওয়ার ইচ্ছা আছে। যা জানছি, শিখছি অথবা অনুভব করি, তা জানাতে চাই সবাইকে। তাই অচিরেই বের হবে আমার নতুন বই!

বৃষ্টিতে এবার বিশ্বকাপ যেন বর্ষা কাপ হয়ে গেল।

আজ প্রায় পনের দিন পর মিলিমিশিতে আসলাম। সবাই কেমন আছেন।

গুগল মামাও বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস পালন করতেছে। ধন্যবাদ গুগলকে।

বুকের দুধ বৃদ্ধি করার ঘরোয়া উপায়
১। গরম দুধ এবং জিরা পান করুন, এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এটি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করে থাকে।
২। প্রচুর পরিমাণে পানি পান, বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা। আর এইজন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করবে।
৪। রসুন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেতে পারেন। এটিও আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাঁচা রসুন খেতে না পারলে রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। এছাড়া এক কাপ পানিতে ৩ কোয়া রসুন দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। পানি কমে অর্ধেক হয়ে আসলে এতে এক কাপ দুধ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে চুলা নিভিয়ে দিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য মধু মিশাতে পারেন। এটি প্রতিদিন সকালে পান করুন।

অবশেষে আরো একবার বিজয়ী হইলাম। ধন্যবাদ মিলিমিশি।

কুইজের অপেক্ষায় বসে থেকে থেকে মাত্র নতুন কুইজ পেলাম।

কিছু অলিখিত ‘কমনসেন্স’
* কখনোই শব্দ করে খাবেন না। আপনার হাড় চিবানোর কড়কড়ে শব্দ অন্যের জন্য বিপত্তিকর কিন্তু। মুখ বন্ধ করে ধীরস্থিরভাবে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
* অন্য কেউ যখন কথা বলবেন, তখন তাঁর কথার মধ্যে তাঁকে থামিয়ে দেবেন না। অন্যের কথা শেষ হলে তারপর কথা বলুন। চোখে চোখ রেখে কথা বলুন।
* রেস্টুরেন্টের ওয়েটার, লিফটম্যান কিংবা শপিং মলের সেলসম্যান বা গাড়ির চালক, যাঁরা আপনাকে সেবা দিচ্ছেন, তাঁদের সঙ্গে মার্জিত আচরণে কথা বলুন।
* চুইংগাম খাওয়া শেষে তা যেখানে-সেখানে ফেলবেন না। কাগজে বা টিস্যুতে মুড়িয়ে ডাস্টবিনে ফেলুন।
* সাইকেল পার্কিংয়ে কখনোই অন্যের সাইকেলের সঙ্গে নিজের সাইকেলের তালা বা লক আটকাবেন না।
* শপিং মলে এসকেলেটর সিঁড়িতে পাশাপাশি দুজন দাঁড়াবেন না। এসকেলেটর সিঁড়িতে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে ডান পাশের চলাচলের পথ খালি রাখুন, যেন কেউ হেঁটে উঠতে চাইলে যেতে পারে।
* প্রকাশ্যে মুঠোফোনের লাউডস্পিকারে কথা বলা কিংবা গান শুনবেন না।
* কেউ আপনাকে কোনো সহযোগিতা করলে ধন্যবাদ বলুন। ধন্যবাদ ও দুঃখিত বলার চর্চা করুন।
* ছোট শিশুদের আদর করার ক্ষেত্রে বাবা-মা কিংবা অভিভাবকের অনুমতি চেয়ে নিন। নবজাতককে স্পর্শ করতে চাইলে হাত জীবাণুমুক্ত করে নিন।
* প্রত্যেক মানুষেরই একটি ব্যক্তিত্বের বলয় থাকে, তার প্রতি সম্মান দিন।
* অন্যের জন্য দরজা খুলে ধরে রাখা কিংবা চেয়ার টেনে দেওয়ার সৌজন্য চর্চা করুন।
* খাবারের টেবিলে জোর করে কাউকে খাবার প্লেটে তুলে দেবেন না।
* ব্যাংকে কিংবা অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে কখনোই কোনো ধরনের লাইন অমান্য করবেন না। আপনার আগে যিনি এসেছেন, তাঁকে সেবা নেওয়ার সুযোগ দিন।
* কারও বাড়িতে বেড়াতে গেলে তাঁর ব্যক্তিগত ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটার, মুঠোফোন ধরবেন না। এমনকি বেড়াতে গেলে অন্যের বেডরুমে উঁকি দেবেন না। অন্যের ব্যক্তিগত ডায়েরি কখনোই পড়বেন না।
* কাউকে বয়স, বিয়ে করেছেন কি না ও বেতন কত, এমন প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বিব্রত করবেন না।
* অন্যের বাড়িতে বেড়াতে গেলে বাথরুম ব্যবহারের প্রয়োজন হলে পরিচ্ছন্নতার বিষয়টি খেয়াল রাখুন।
* অফিসে আপনার কাছে অতিথি কিংবা কেউ এলে তাঁর সঙ্গে হাসাহাসি কিংবা জোরে চিৎকার করে কথা বলবেন না।

All Dhaka so jam.

ইয়াহু.. আমি পেরেছি।
আজকের কুইটার উত্তর দিতে অনেক IQ খরচ করতে হয়েছে।

বুকের দুধ বৃদ্ধি করার ঘরোয়া উপায়
১। গরম দুধ এবং জিরা পান করুন, এক গ্লাস গরম দুধের সাথে এক চা চামচ জিরা গুঁড়ো মিশিয়ে নিন। এবার এটি প্রতিদিন রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সাথে সাথে শরীরে আয়রনের ঘাটতি দূর করে থাকে।
২। প্রচুর পরিমাণে পানি পান, বুকের দুধ বৃদ্ধি করার সবচেয়ে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা। আর এইজন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণে পানি পান করা। প্রতিদিন ৮ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রাকৃতিকভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করবে।
৪। রসুন, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ৩ কোয়া রসুন খেতে পারেন। এটিও আপনার বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করবে। কাঁচা রসুন খেতে না পারলে রান্নায় রসুন ব্যবহার করুন। এছাড়া এক কাপ পানিতে ৩ কোয়া রসুন দিয়ে সিদ্ধ করতে দিন। পানি কমে অর্ধেক হয়ে আসলে এতে এক কাপ দুধ দিয়ে দিন। ফুটে উঠলে চুলা নিভিয়ে দিন। স্বাদ বৃদ্ধির জন্য মধু মিশাতে পারেন। এটি প্রতিদিন সকালে পান করুন।

ওয়াও মিলিমিশি দেখি ভালই জনপ্রিয়তা পাইতেছে :)

আমি এমন একটা বানাবো

অনেক কিছু শিখলাম। ফুল স্কিন করে দেখুন

শুধুমাত্র আপুদের জন্য। (ভাইয়ারা দেখবেন না)

হাতি কত শক্তিশালি, ভয় পাইলাম।

সকালে উঠেই এই গজটা দেখে মন ভরে গেল। তার পোস্ট না করে পারলাম নাহ্

happy new year all my friends!

অনেদিন পর আসলাম, ভুলেই গেছিলাম ‘মিলিমিশি’তে আমার একটা আই.ডি আছে। আজ ইয়ামিন ভাইয়া মনে করিয়ে দিলো। কুইজ অপশনটা ভালই লাগলো, এখন থেকে প্রতিদিন কুইজ খেলবো। :)

ami haste haste ses...!!!!

06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4049 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4207 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ
29-Jun-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3261 জন)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিমি ছিল। ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের আয়তন হয় ১,৪৭,৬১০ বর্গকিমি। বাংলাদেশের কোন জেলাটির সাথে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে?
(A) রাঙামাটি
(B) কক্সবাজার
(C) নোয়াখালী