About Abidur Rahman

আমার বেলায় সবাই যা করে...

#দাজ্জালের মরন গেইট!!!

দাজ্জালকে কোথায় কতল করা হবে জানেন?
ইহুদিদের দেশে সাদা স্বেত পাথরের বিশাল এক গেইট এর নীচে।
সেই গেইট ইতিমধ্যে ইহুদিরা নির্মাণ করে ফেলছে তেলআবিব থেকে প্রায় পনের কিলোমিটার দূরে।
গুগলে সার্চ দিলেই পাবেন।

কে কতল করবেন জানেন?
হযরত ইসা আঃ, তিনি আকাশ থেকে দুই ফেরেশতার কাধে ভর করে সিরিয়ার দামেস্ক শহরের বিশাল মসজিদের সাদা মিনারে এসে নামবেন।
খোঁজ নিয়ে জানলাম সেই বিশাল মসজিদ আজ থেকে ৭০০ বছর আগেই তৈরী হয়ে গেছে।
একি স্থানে একি বর্ণনা অনুযায়ী, একদম হযরত আবু হুরায়রা রঃ এর বর্ণনানুযায়ী।

তখন সমুদ্রের নীচে আগুন থাকবে আগুনের নীচে পানি থাকবে।
শুনতে আজিব লাগছে না তাই না?
প্রশান্ত মহাসাগরের বিভিন্ন স্থানে পানির নীচ থেকে এখন ধাউ ধাউ করে আগুন বেরুচ্ছে।

তখন আরব দেশে বরফ জমতে থাকবে। গত দুই বছর ধরে সেটাই হচ্ছে।

তখন ইরাক সিরিয়ার মধ্যবর্তী ফুরাত নদী শুকিয়ে যাবে।
সেখানে বিশাল এক স্বর্নের পাহাড় ভেসে উঠবে, এটা নিয়ে সবাই যুদ্ধ করবে।
আজকে ফুরাত নদী প্রায় ৯৫ ভাগ শুকিয়ে গেছে, বিভিন্ন দেশের আর্মিরা সে জায়গাটা ঘিরে রেখেছে।

এর আগে ইমাম মাহদি ( অর্থাৎ সু পথ প্রাপ্ত নেতা) আত্ম প্রকাশ করবেন। যার নাম হবে মোহাম্মদ, পিতার নাম আব্দুলাহ।
তিনি হুবহুব হযরত মোহাম্মদ সঃ এর মতো সুন্দর ও সুঠাম দেহের অধিকারী হবেন। সুবহানাআল্লাহ।

ইমাম মাহদি যেদিন আত্ম প্রকাশ করবেন সেদিন হবে রোজ শক্রবার এবং মক্কার ১৫ রমজানের দিন।
আশ্চর্যের বিষয় হলো গত ২০১০ সাল থেকে মক্কার প্রতিটা ১৫ই রমজান ছিলো শুক্রবার এবং ক্যালেন্ডার দেখলে জানতে পারবেন আগামী ২০২৪ সাল পর্যন্ত মক্কার প্রতিটি ১৫ রমজান হবে শুক্রবার।

ডেঙ্গু দমন নিয়ে অসন্তোষ হাইকোর্টের

ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার ছিলেন একজন মুসলিম নারী
২২ শে জুলাই ভারতের জাতীয় পতাকার জন্মদিন। ১৫ আগষ্ট ভারতের স্বাধীনতার জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সর্ববৃহত এই গণতান্ত্রীক দেশটিকে পতাকা উত্তোলন করা হয় মহা সমারোহে। কিন্তু তেরঙ্গা এই পতাকার ডিজাইনার হিসেবে নাম রয়েছে এক মুসলিম নারীর। ভারতের ইতিহাস বিবৃতির আশ্রয় নিয়ে সেই মুসলিম নারীর নাম গোপন করে ফেলা হয়েছে দীর্ঘ প্রচেষ্টার মাধ্যমে। “ভারতের জাতীয় পতাকার নকশা বানিয়েছিলেন একজন মুসলীম নারী, ICS বদরুদ্দীন তায়েবজী’র স্ত্রী সুরাইয়া” এমনটাই লেখা রয়েছে ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে। সুরাইয়ার করা নকশা পন্ডিত নেহেরুর ভালো লাগায় তিনি নিজের গাড়ীর বনেটে তা লাগিয়ে নিয়েছিলেন।

পরবর্তীতে সেটাই ভারতের জাতীয় পতাকার মর্যাদা পায়। এই নারী অহিংস স্বাধীনতা আন্দোলনেও অগ্রনী ভূমিকা নিয়েছিলেন, কিন্তু হিন্দুপ্রধান ভারতে তিনি বিস্মৃতির অতলে চলে গিয়েছেন। একে নারী, তাও আবার মুসলিম- হিন্দু ভারতে এটাই তো তার ভবিতব্য ছিলো।

কিন্তু ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করা হলেও কোথাও না কোথাও ইতিহাস সংরক্ষিত থেকেই যায়। এই বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে Ferdousi Beacon এর “ভারতের ইতিহাস বিকৃতি ও সুরাইয়ার অস্বীকৃতি” নামক লেখায়।

তিনি লিখেছেন, ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার হিসেবে সর্বত্র যে নামটি পাওয়া যায় সেটি হলো পিঙ্গালি ভেঙ্কাইয়া। কিন্তু তিনি কী বাস্তবে ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার? না! বরং অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে এক মুসলিম নারীর নাম। যার নাম সুরাইয়া বদরুদ্দিন তায়াবজি। সুরাইয়ার স্বামী ছিলেন বদরুদ্দিন ফাইজ তায়াবজি। তিনি একজন ভারতীয় সিভিল সার্ভিস (আইসিএস) অফিসার হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে কর্মরত ছিলেন।

সে সময়েই ভারতের জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন তার স্ত্রী। এরপর নেহরুর কাছে পতাকাটি নিয়ে গেলে তিনি তা পছন্দ করেন এবং তার গাড়িতে লাগিয়ে নেন। এরপর এ পতাকাটিই গৃহীত হয় ভারতের জাতীয় পতাকা হিসেবে।

কিন্তু ডিজাইনার হিসেবে অজ্ঞাত কারণে কখনোই সুরাইয়ার নামটি ইতিহাসে তোলা হয়নি। সুরাইয়া তায়াবজির তৈরি করা জাতীয় পতাকাটি প্রথম গৃহীত হয় ১৭ জুলাই ১৯৪৭ সালে। ভারতীয় কোনো ইতিহাসবীদের লেখায় সুরাইয়ার তৈরি করা পতাকাটির বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায় না। তবে ইংলিশ ইতিহাসবিদ ট্রেভোর রয়েলের বইতে সুরাইয়ার নাম পাওয়া যায়। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, ভারতীয় জাতীয় পতাকাটির ডিজাইনার বদরুদ্দিন তায়াবজির স্ত্রী সুরাইয়া তায়াবজি।

ব্রিটিশ এ ইতিহাসবিদ লিখেছেন, “ভারতের ইতিহাসের মাঝে চলমান বিতর্কের মাঝে আরেকটি হলো জাতীয় পতাকার ডিজাইন একজন মুসলমানের করা, (সুরাইয়া) বদর-উদ-দিন তায়াবজি।

ভারতের জাতীয় পতাকার কেন্দ্রে ২৪টি দণ্ডযুক্ত নীল ‘অশোকচক্র’ সহ গেরুয়া, সাদা ও সবুজ আনুভূমিক আয়তাকার ত্রিবর্ণরঞ্জিত পতাকা। এ পতাকার কেন্দ্রে রয়েছে অশোকচক্র, যা সম্রাট অশোক নির্মিত সিংহ শীর্ষযুক্ত অশোকস্তম্ভ থেকে নেওয়া। সম্রাট অশোক হিন্দু-মুসলিম সবার নিকটই শ্রদ্ধেয় হওয়ায় এ অশোকচক্রও গৃহীত হয় সবার নিকট। স্বাধীনতা প্রাপ্তির কয়েকদিন পূর্বে ১৯৪৭ সালের ২২ জুলাই বিশেষভাবে গঠিত গণপরিষদ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে ভারতের জাতীয় পতাকাকে সব দল ও সম্প্রদায়ের নিকট গ্রহণযোগ্য করে হতে হবে।

বাস্তবে তিন রঙের পতাকাতে ছিল একটি চরকা, যা গান্ধী তার পার্টির চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করতেন। তায়াবজি মনে করেন এটি ভুল বিষয় উপস্থাপন করবে। এরপর বহু চাপের পর গান্ধী এ চাকাটি পতাকায় নিতে রাজি হন।

এলাকার ছোট ভাইয়েরা

এ দেশে কিছুদিনের মধ্য হিন্দু-মুসলিম ক্ষমতা নিয়ে দ্বন্দ শুরু হবে। গৃহ যুদ্ধও হতে পারে।

কবে থেকে ইউথড্র নেওয়া যাবে?

ইন্টারনেট থেকে পাওয়া..
--
নিজ শিশুর ধর্ষণ বা যৌন অত্যাচার ঠেকাতে আপনার যা করণীয় ।

উচিত কথা বললে তো অনেকের পছন্দ হয় না, তবু বলি। নিজের কন্যা সন্তান, এমনকি নবজাতক হলেও আপনার অনুপস্থিতিতে কোনো পুরুষ আত্মীয়ের জিম্মায় দিবেন না। যতো নিকট আত্মীয়ই হোক না কেন। এইখানে কেউ আবার এসে নারী পুরুষ ত্যানা প্যাঁচাইয়েন না। কারণ আপনিও জানেন আমিও জানি যে, অন্তত বাংলাদেশে যৌন নির্যাতকদের মধ্যে পুরুষের শতকরা হার ৯৯.৯৯%। ছেলে বাচ্চাদের ব্যাপারেও একইরকম সাবধানতা অবলম্বন করবেন।

নিজের শিশু সন্তানকে নিজের অনুপস্থিতিতে স্বল্প পরিচিত মানুষ দূরে থাক, কোনো আত্মীয়ের বাসায় রাতে থাকতে দেবেন না, আই রিপিট, কোনো আত্মীয়ের বাসায়। ফুফুর বাড়ি, খালার বাড়ি, নানার বাড়ি, দাদার বাড়ি কোথাও না। কোথাও থাকতে দিলে আপনাকে দাওয়াত না দিলেও লজ্জা শরম ত্যাগ করে গাঁট্টি বোঁচকা নিয়ে তাদের বাসায় বাচ্চার সাথে থাকতে চলে যান, যদি আত্মীয়ের বাসায় রাতে সন্তানকে রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে। একটা জিনিস মনে রাখবেন। যতগুলো যৌন নির্যাতনের ঘটনা ঘটে তার অধিকাংশই ঘটে নিকট আত্মীয় বা পরিচিত লোকজনের মাধ্যমে। অমুকে আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু কাজেই মেয়েকে তার সাথে দোকানে পাঠিয়ে দিলাম, আংকেল চকলেট কিনে দিবে বলে, এতবড়ো বলদামি কইরেন না।

নিজের তত্ত্বাবধান ছাড়া প্রতিবেশীর বাসায় শিশুসন্তানকে খেলতে পাঠাবেন না। আপনার প্রতিবেশী আপনার জন্য ভালো, আপনার সন্তানের জন্য ভালো নাও হতে পারে।

বাচ্চাকে মাদ্রাসায় দিয়ে বেহেশত কামাবেন ভালো কথা। আপনার বেহেশতের দাম যেন আপনার সন্তানকে জীবন দিয়ে চুকাতে না হয়। মাদ্রাসায় শিশু সন্তান যেতে না চাইলে, কান্নাকাটি করলে, ভয় পেলে তাকে জোর করে ওই নরকে ঠেলে পাঠাবেন না। সন্তান হুজুরের নামে কিছু বললে বিশ্বাস করতে শেখেন। “হুজুরের তো দাড়ি আছে অতএব বিরাট সুফী মানুষ” এই ধারণা নিয়ে বসে থাকবেন না। সন্তানের ঘাড়ে পাড়া দিয়ে বেহেশতে যাবেন এই চিন্তা ছেড়ে নিজে কষ্ট করে বেহেশত উপার্জন করেন।

শিশু সন্তানকে ড্রাইভারের সাথে স্কুলে পাঠাবেন না। কাজের লোকের সাথে দোকানে পাঠাবেন না। নিজেরা সাথে যাওয়া আসা করবেন। ব্যস্ততার দোহাই দেবেন না। আপনার জীবনের কোনো কাজই আপনার সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে বেশি জরুরি না। যদি অন্যান্য কাজকে সন্তানের নিরাপত্তার চেয়ে জরুরি মনে করেন, তবে সন্তানের জন্ম দিয়েন না। এত অধিক জনসংখ্যার দেশে কেউ আপনাদের মতো মানুষদের পায়ে ধরে সাধে নাই বাচ্চা জন্ম দিতে।

শিশুর যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধে করণীয়, শিশু যৌন নিপীড়ন, বাংলাদেশে শিশু নির্যাতন

সবচেয়ে বড় কথা, নিজের সন্তান যখন তার সাথে ঘটে যাওয়া যৌন নির্যাতনের কথা বলবে, তখন যার বিরুদ্ধে বলুক না কেন, নির্যাতক আপনার যতো আপনজনই হোক না কেন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করবেন। তাকে চুপ করিয়ে দিয়ে তার সামনেই ওই নির্যাতককে ডেকে খাতির যত্ন কইরেন না। এমন অনেক ছেলেমেয়েকে চিনি যাদের বাপ-মা সবকিছু জেনেও সন্তানের যৌন নির্যাতককে সন্তানকে দিয়েই চা-নাস্তা পরিবেশন করিয়েছে। বাংলাদেশের সামাজিক পরিস্থিতি অনুযায়ী মা বাবাকে দেবতা মনে করা হয় বলেই এইসব সন্তানরা এই ধরনের বাপ-মা গুলোকে দুই বেলা জুতায় না। কিন্তু ঠিকই সারাজীবন মনে মনে ঘৃণা করে যায়।

কাজেই সন্তানের নির্যাতককে সন্তানের সামনেই শাস্তি দিন। ঠুনকো ইজ্জত সম্মানের তোয়াক্কা না করে নির্যাতককে এক্সপোজ করুন, সামাজিক এবং পারিবারিকভাবে বয়কট করুন। প্রয়োজনে মামলা করে চৌদ্দশিকের ভাত খাওয়ান।

রাস্তায় হাঁটার সময় কোনো শিশুর সাথে কাউকে অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখলে সাথে সাথে চ্যালেঞ্জ করুন। “আমি বাচ্চার চাচা/মামা/খালু হই” এইসব বললেও পিছপা হবেন না। প্রয়োজনে লোক জড়ো করে বাচ্চাসহ ওই লোককে নিয়ে বাচ্চার মা-বাপের কাছে চলে যান। আপনার একটু উদ্যোগ হয়তো একটা শিশুর জীবন বাঁচিয়ে দেবে।

বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি একেবারেই শিশুবান্ধব না এবং ভবিষ্যতে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে এমন কোনো সম্ভাবনা আমি দেখি না। এ অবস্থায় আমাদের সবার সচেতনতাই পারে আমাদের শিশুদের জীবন আরেকটু বেশি নিরাপদ করতে

মিন্নির হাটার গতি এত স্লো কেন সেটা বুঝতেছি না।

মানুষ এতটা নির্মম হয় জানা ছিলনা?
----
এবার চট্টগ্রামে বিশ্ব কলোনিতে মহসীন নামে এক যুবককে দিন দুপুরে প্রকাশ্য কুপিয়ে ও স্টাম দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে দূর্বৃত্তরা। গতকাল ( ৩০ জুন) বিকেল ৫ ঘটিকায় বিশ্ব কলোনি এন ব্লকে এ ঘটনা ঘটে।

বর্ষাকালে কেউ বিদ্যুতের ঘুটি স্পর্ষ করবেন না।

ভাগ্য গণনাকারি জানতেন না তার ভাগ্যে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ছিল
ভাগ্য গণনাকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশি পাথর বিক্রয়কারক প্রতিষ্ঠান শেষ দর্শন আজমেরি জেমসকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত বসুন্ধরা সিটিতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠানে বুধবার বিকেলে এই অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।

ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে অভিযান পরিচালনা করেন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল জব্বার মন্ডল, সহকারী পরিচালক মো মাসুম আরিফিন ও আফরোজা রহমান।

অভিযান শেষে শাহরিয়ার বলেন, ‘আমরা শেষ দর্শনের কাছে তিনটা বিষয় জানার ছিলো, প্রথমতো তারা যে পাথরগুলো বিদেশ থেকে নিয়ে আসে তার আমদানি কারকের স্টিকার আছে কি না, দ্বিতীয় তাদের কাছ থেতে যারা পাথর ক্রয় করে তাদের কোন ভাগ্য পরিবর্তন হয় কি না? প্রত্যেকটা পাথরের মূল্য প্রদর্শন করা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা মূলত আজকে মূল্য প্রদর্শন না করার অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেছি। আগামীতে আমরা তাদের পাথরগুলো পরীক্ষা করবো। আমরা তাদেরকে পাথর রপ্তানির কাগজপত্র এবং কিভাবে ভাগ্য পরিবর্তন হয় তার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।’

এসময় ভোক্তা অধিদপ্তরের কর্মকর্তা তাকে প্রশ্ন করেন, আপনারা অন্যদের ভাগ্য গণনা করেন কিন্তু আজকে যে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর থেকে আমরা আসবো এটা আপনারা জানতেন না? এমন প্রশ্নেরর জবাবে ভাগ্য গণনাকারি প্রতিষ্ঠান লিটন দেয়ানের ম্যানেজার বললেন, ‘স্যার আপনারা ঈদের আগে জরিমানা করলে কিভাবে টাকা পরিশোধ করবো। এখন আমাদের ব্যবসা ভালো যাচ্ছে না।’

বিশ্বের অন্যান্য দেশগুলো তাদের শিশুদের উপর কোন ব্যাড ইফেক্ট না পড়ে সে জন্য বিভিন্ন প্রকার কম্পিউটার ও মোবাইল গেইম নিষিদ্ধ করে। যেমন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাবজি গেম নিষিদ্ধ। আর আমারা বুঝে না বুঝে সব গেইম বিনোদনের জন্য শিশুদের হাতে তুলে দেই ।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আসছে না।

আজ সেই কাল রাত!
অপারেশন সার্চলাইট (ইংরেজি: Operation Searchlight) ১৯৭১সালে ২৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া পাকিস্তানী সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত পরিকল্পিত গণহত্যা, যার মধ্যমে তারা ১৯৭১ এর মার্চ ও এর পূর্ববর্তী সময়ে সংঘটিত বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দমন করতে চেয়েছিল।[৯] এই গণহত্যা ছিল পশ্চিম পাকিস্তানী শাসকদের আদেশে পরিচালিত,যা ১৯৭০ এর নভেম্বরে সংঘটিত অপারেশন ব্লিটজ্‌ এর পরবর্তি অণুষঙ্গ। অপারেশনটির আসল উদ্দেশ্য ছিল ২৬ মার্চ এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) সব বড় বড় শহর দখল করে নেয়া এবং রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধীদের এক মাসের ভেতর নিশ্চিহ্ন করে দেয়া[১০]। বাঙালিরা তখন পাল্টা প্রতিরোধ সৃষ্টি করে,যা পাকিস্তানী পরিকল্পনাকারীদের ধারণার বাইরে ছিল[১১]। মে এর মাঝামাঝি সময়ে সকল বড় বড় শহরের পতন ঘটার মধ্যে দিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের প্রধান অংশ শেষ হয়। এই সামরিক আক্রমণ ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে ত্বরান্বিত করে। এই গণহত্যা বাঙালিদের ক্রুদ্ধ করে তোলে যে কারণে পাকিস্তান সেনবাহিনীর বাঙ্গালি সেনাপতি ও সৈনিকেরা বিদ্রোহ ঘোষণা করে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষিত হয় এবং বহু মানুষকে শরণার্থীরূপে ভারতে আশ্রয় নিতে হয়। এই ভয়াবহ গণহত্যা ১৯৭১ এর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটায় এবং বাঙালিরা দখলদারী পাকিস্তানী বাহিনীকে বিতারিত করার সংগ্রামে লিপ্ত হয়৤ পরিণতিতে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ডিসেম্বর ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ কমান্ড "মিত্র বাহিনী" এর কাছে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর বিনাশর্তে আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়

ফেইজবুকের মিলিমিশি পেইজে প্রকাশিত।

শিক্ষার্থীদের শিক্ষার উদ্দেশ্য ‘বাস্তব ভিত্তিক ও কর্মমূখী’ না হয়ে, সার্টিফিকেট মুখী হলে; শিক্ষার্থীরা শুধু একটা কাজগের সার্টিফিকেট অর্জন করে, ফলে পাস কারার পরও সেই শিক্ষা কোন কাজে আসে না, বরং দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। যে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো সার্টিফিকের পাশাপাশি বাস্তবভিত্তিক জ্ঞান, কর্মদক্ষতা তৈরী করতে পারে সে দেশের বেকার সংখ্যা হ্রাস পায়, উদ্দ্যোক্তা বাড়ে, সর্বপরি সে দেশের জাতীয় আয় বৃদ্ধি পায়। মাথাপিছু আয় হলো, দেশের মোট আয়কে মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ। বাংলাদেশের বর্তমান মাথাপিছু আয় কত?

iCT Sky ও ‘মিলিমিশি’ কর্তৃক আয়োজিত “ওয়েব ডিজাইন” ক্লাশ-1

প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ : প্রথম ধাপে ছোট জেলায় পরীক্ষা

শিরোনাম-1 (সূত্র: জনকন্ঠ) তারিখ:17-Feb-2019
অনলাইন রিপোর্টার ॥ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে (ডিপিই) চলছে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০১৮’ এর লিখিত পরীক্ষার প্রস্তুতি। ১৫ মার্চ থেকে এ পরীক্ষা শুরু করতে চলছে যাবতীয় প্রস্তুতি। তবে প্রথম ধাপে দেশের ছোট জেলায় লিখিত পরীক্ষা নেয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এবার পরীক্ষা পদ্ধতিতে আসছে আমূল পরিবর্তন। প্রথমবারের মতো লিখিত পরীক্ষা কয়েকটি ধাপে আয়োজন করা হবে। যেসব জেলায় লিখিত পরীক্ষা আগে শেষ হবে সেখানে আগেই মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে।

এ বিষয়ে ডিপিইর মহাপরিচালক ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা ১৫ মার্চ শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা পাঁচ থেকে ছয়টি বা তারও বেশি ধাপে আয়োজন করা হতে পারে।’

তিনি বলেন, যেসব জেলায় ৫০ হাজার বা তার বেশি আবেদনকারী সেখানে একাধিক ধাপে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার মতামতের উপর এটি নির্ভর করবে। তবে প্রথম ধাপে জয়পুরহাট, নড়াইলসহ এমন ছোট জেলাগুলোতে পরীক্ষা শুরুর কথা ভাবা হচ্ছে।

জানা গেছে, এবার নিয়োগ পরীক্ষা সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজড পদ্ধতিতে হবে। নির্ধারিত জেলায় পরীক্ষা আয়োজনের আগের রাতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে প্রশ্নপত্রের সব সেট পাঠানো হবে। পরীক্ষার দিন সকাল ৮টায় প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে তা কেন্দ্রে পৌঁছানো হবে।

মিলিমিশি থেকে অনেক কিছু জানতে পারছি। পুনরায় ধন্যবাদ মিলিমিশি।

মোবাইলে ইন্টারনেট স্লো কাজ করতেছে, সকালে সবাই মিলিমিশিতে একসাথে বেশি মানুষের চাপের জন্য এমন হচ্ছে বুঝতেছি না।

কুইজের অপেক্ষায় বসে আছি।

কতৃপক্ষ রাত ১২টার পরিবর্তে ভোর ৬-৭টায় নতুন কুইজ প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল, অনেকই নতুন কুইজ দেখা ও উত্তর দেওয়ার জন্য সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠা শুরু করেছে :)

সফলতার একটা সূত্র বলে দেই??
আজকে কে কাজ করতে পার, তা অলশতা করে কালকের জন্য রেখে দিও না!

Din gelo tomato poth chahiya.

যারা নতুন জয়েন করেছে, তারা প্রফাইল পিকচার আপলোড দিতে গিয়ে, সবাই ভুল করে ওয়ালে ছবি পোস্ট করে দিতেছে।
নতুন যায়গায় গিয়ে ওয়াশরুম (টয়লেট) খুজে না পাওয়ার মত।

লাইভ ম্যাচ দেখুন।

News ও Job এই দুইটি প্রতিদিন একনজরে দেখার জন্য মিলিমিশিতে আসি। নিয়মিত আপডেট রাখার জন্য কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ। আর কুইজের উত্তর দেই, কিন্তু বিজয়ী হই না :( এটা কোন কথা@

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সন্ত্রাসী হামলায় বিধ্বস্ত হয় যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ার। পুরো ভবনে আগুন ধরে গেলে অনেকেই নিচে ঝাঁপ দেন জীবন বাঁচানোর আশায়। সেরকমই এক হতভাগ্য ব্যক্তির ছবি তুলেন এপি’র আলোকচিত্রশিল্পী রিচার্ড ড্রিউ। বলাই বাহুল্য যে মানুষটি বাঁচাতে পারেন নি নিজের জীবন।

যে যাই বলুক, বন্ধের দিনের ঘুমটাই আলাদা।

দেখে তাজ্জাব হয়ে গেলাম।

আকাশ থেকে স্যাটেলাইটের অংশ খষে পড়তে পারে। এটা বাস্তাব

ভাল্লাগছে..

এত হাসি কই রাখি!!!

সকালে ঘুম থেকে উঠেই দেখি মোবাইলে মেসস এসেছে ; আপনি মিলিমিশি এর গতকালের কুইজ বিজয়ী।িউত্তর দেওয়ার সময় ভাবতেই পারিনি, আমার ফাটা কপালও কোন কোন সময় বিজয়ী হয়।

12-Sep-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3651 জন)
প্রশ্নঃ তিনি ছিলেন একজন ওলন্দাজ-অস্ট্রেলীয় সামরিক কমান্ডো অফিসার। তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীর প্রতীক প্রদান করে। তিনিই একমাত্র বিদেশী যিনি এই রাষ্ট্রীয় খেতাবে ভূষিত হয়েছেন। আলোচ্য ব্যক্তিটির নাম কি?
(A) হ্যারল্ড উইলসন
(B) উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড
(C) এডওয়ার্ড হীথ
17-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3495 জন)
প্রশ্নঃ দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ হলে উভই দেশই চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, অর্থনৈতিক ও বানিজ্যিকভাবে বিশ্বথেকে অনেক পিছিয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিকভাবে কূটনৈতিক আলোচনা, জাতিসংঘের মধ্যস্থতা ইত্যাদি মাধ্যমে দুটি দেশের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি আনায়ন সম্ভব। পাকিস্তান থেকে ভারত প্রায় ৫গুন বড়, দুটি দেশেই পারমানবিক শক্তিধর, যেখানে পারমানবিক অস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় সেখান প্রায় ৮০০ বছরে কোন বৃক্ষ/কৃষি জন্মায় না। আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা যুদ্ধ করবো ক্ষুধার বিরুদ্ধে, দারিদ্রতার বিরুদ্ধে, পরিবেশ রক্ষার পক্ষে। আয়তনে ভারত বাংলাদেশ অপেক্ষা কত গুন বড়?
(A) প্রায় ২২-২৪গুন
(B) প্রায় ৬০-৬৫ গুন
(C) প্রায় ৯-১১গুন
04-Aug-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3471 জন)
প্রশ্নঃ সঠিকভাবে জীবন পরিচালনা না করলে তার জীবন খুব দুর্বোধ্য হয়ে উঠে, যথা সময়ের কাজ যথা সময়ে করা, স্বাস্থের প্রতি যত্ন নেওয়া, পরিকল্পিতভাবে খরচ করা এই অভ্যাসগুলো পালন করে জীবনকে সহজ ও সুন্দর করে সাজানো যায়, চিন্তমুক্ত থাকা যায়। নিচের কোন চলচিত্রটি স্বাধীনতার আগে মুক্তি পেয়েছে?
(A) জীবন থেকে নেয়া, পরিচালক: জহির রায়হান
(B) বেদের মেয়ে জোসনা, পরিচালক: তোজাম্মেল হক বকুল
(C) পদ্মা নদীর মাঝি, পরিচালক: গৌতম ঘোষ