About Sm Saidur Islam

আমাদের যে বয়সে দাঁত ভেঙ্গেছিল এখন🤪🤪
সেই বয়সে পোলাপানের হৃদয় ভাঙ্গে।

মানুষ সুখের কথা ভুলে যায়, দুঃখের কথা ভুলতে পারে না।

নিরবতা সবসময় সম্মতি
লক্ষন হয় না !!
কখনো কখনো প্রতিবাদে ভাষাও বোঝায়

🥰জয় বাংলা🥰
🔛গরমের ঠেলা সামলা🔛
🔛উন্নয়নে অংশ নিন🔛
💯ফ্রীজ খুলে বরফ নিন💯

আমাদের দেশটা ভরে গেছে নাটক সিনেমায়
বুড়া-জোয়ান,নারী-পুরুষ সবাই মিলে চায়
নুন আন্তে যার পান্তা ফুরায় তাহার ঘরে টিভি
রাজনীতিরও রাজ বোঝে না,তাহার ঘরে নেতাজীর ও ছবি।

নিজেকে আজ বড় অসহায় মনে হয়।মা-ভাই সবই আছে। কিন্তু,তারপরেও নিজের কাছে মনে হয়,পৃথিবীতে কিছুই যেন নেই আমার।।আমি বড় একা।বুকের ভেতর কেমন যেন এক অজানা ব্যথা অনুভব করি।কাউকে বলতে পারি না। সইতেও পারি না।যখন একা থাকি তখন আমার মনে হাজারও প্রশ্ন জেগে ওঠে।কোথায় ছিলাম?কোথায় এলাম?কোথায় যাবো?

2099 সালে বাচ্চারা পড়বে প্রাচীন কালে
মানুষ Facebook চালাতো

আমাদের সমাজে ভাল পরামর্শ দেবার লোক পাবেন না
কিন্তু,পিছনে দাঁড়িয়ে থেকে সমালোচনা করার মত লোকের অভাব নাই

রাতে ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা আজীবন ২৫ বছরের যুবকের মতো থাকবে
শারীরিক ক্ষমতা বাড়ানো জন্য যৌন শক্তি বর্ধক ট্যাবলেট খাবেন না। এই ঔষধ পুরুষকে ধ্বজভংগ রোগের দিকে ঠেলে দেয় কিছু ক্ষেত্রে মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। যৌন শক্তি বাড়ানো জন্য কোন ঔষধ সেবনের প্রয়োজন নেই।

গবেষনায় দেখা যায় পুরুষের পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমে যৌন শক্তি পেয়ে থাকে। এক্ষেত্রে গাভীর খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অসাধারন। যৌন শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউনানী ঔষধ গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখতে পারে।

এজন্য অবশ্যই অভিজ্ঞ ও রেজিষ্টার্ড হাকীমের পরামর্শ নিতে হবে। মনে রাখবেন রাস্তা ফুটপাতে থেকে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট কেনা থেকে বিরত থাকুন। যৌন শক্তি বাড়ানোর কোন মন্ত্র আছে বলে বিজ্ঞান বিশ্বাস করেন না। যারা আপনাকে মন্ত্র পড়ে সহবাসের পরামর্শ দেয়, তারা নিছক আপনার সাথে প্রতারনা করে মাত্র।

রাতে ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা আজীবন ২৫ বছরের যুবকের মতো থাকবে

তাই যে কোন চিকিত্সা বা পরামর্শের জন্য রেজিষ্টার্ড চিকিত্সকের পরামর্শ নিন। এখন আসি আসল কোথায় প্রতি দিন ঘুমাবার আগে ১ টি পান সাথে খাটি মধু ও কালজিরা পান দিয়ে খাবেন। ১০০% কাজে লাগবেই।

গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। জিনসেং মূলটির বয়স ছয় বছর হতে হবে। জিনসেং বর্তমানে সারা বিশ্বে একটি আলোচিত ঔষধি উদ্ভিদ, যার মূলে রয়েছে বিশেষ রোগ প্রতিরোধকক্ষমতা। হাজার বছর ধরে চীন, জাপান ও কোরিয়ায় জিনসেংয়ের মূল বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক, শক্তি উৎপাদনকারী, পথ্য ও টনিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

জিনসেং

জিনসেং কি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রা? জিনসেং কি, জিনসেং খেলে গোপন ক্ষমতা বাড়ে কেন? জানুন

জিনসেং ইংরেজিতে পরিবারের একটি উদ্ভিদ প্রজাতি। এটি মাংসল মূলবিশিষ্ট এক ধরনের বহুবর্ষজীবী উদ্ভিদ। এটি পূর্ব এশিয়াতে, বিশেষ করে চীন, কোরিয়া ও পূর্ব সাইবেরিয়াতে, ঠান্ডা পরিবেশে জন্মে।শক্তিবর্ধক টনিক হিসেবে বিভিন্ন দেশে জিনসেংয়ের প্রচলন আছে। জিনসেং শব্দটা উচ্চারণের সাথে যে দেশটির নাম উচ্চারিত হয় সেটি হলো কোরিয়া। জিনসেংকে অনেকে কোরিয়ান ভায়াগ্রা বলে থাকে।

জিনসেং কি

আসলে জিনসেং কী? হলো গাছের মূল। এই গাছটির নামই। হাজার হাজার বছর ধরে কোরিয়াতে জিনসেং ওষুধি গুণাগুণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে। জিনসেং গাছের মূল রোগ প্রতিরোধক এবং ইংরেজিতে বললে বলতে হয় । জিনসেংকে কোরিয়ানরা বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকে। এর পুরো মূল সুপে দিয়ে দেয়, সিদ্ধ মূল খেতে হয়। চিবিয়ে চিবিয়ে এর নির্যাস নিতে হয়। জিনসেং দিয়ে মদও তৈরি হয়। এছাড়াও জিনসেং-এর রয়েছে নানাবিধ খাদ্য উপকরণ।

জিনসেং কে বলা হয় বা আশ্চর্য লতা। চীনে সহস্র বছর ধরে জিনসেং গাছের মূল আশ্চর্য রকম শক্তি উতপাদনকারী পথ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এছাড়াও এর রয়েছে নানাবিধ গুন। চীন থেকে কেউ বেড়াতে আসলে সাধারণত দেখা যায় জিনসেং ও সবুজ চা কে গিফট হিসেবে নিয়ে আসতে। সেইরকম একটা গিফট পাওয়ার পরে ভাবলাম যে এই আশ্চর্য লতার গুন কে আসলে বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমাণিত নাকি এ শুধুই প্রাচীন চাইনিজ মিথ? ঘাটতে গিয়ে পেলাম নানা তথ্য। আমাদের দেশের মানুষেরা এটা সম্পর্কে কম-ই জানেন। তাই জিনসেং সম্পর্কে একটি পরিপূর্ণ ধারণা দেওয়ার উদ্দেশ্যে আজকের পোস্ট।

রাতে ঘুমাবার আগে যা খেলে ছেলেরা আজীবন ২৫ বছরের যুবকের মতো থাকবে

মুলত দুই ধরণের জিনসেং ঔষধি গুনসম্পন্ন হিসেবে পরিচিত- আমেরিকান ও এশিয়ান। এর মধ্যে এশিয়ান জিনসেং অপেক্ষাকৃত বেশি কার্যকরী। এই দুই ধরণের জিনসেং কে বলা হয় প্যানাক্স জিনসেং।

প্যানাক্স শব্দটি এসেছে গ্রীক শব্দ “panacea” থেকে যার অর্থ হলো বা সর্ব রোগের ঔষধ। জিনসেং সাদা (খোসা ছাড়ানো) ও লাল (খোসা সমেত) এই দুই রকম রূপে পাওয়া যায়। খোসা সমেত অবস্থায় এটি অধিক কার্যকরী। এদের মধ্যে থাকা জিনসেনোনোসাইড নামক একটি উপাদান এর কার্যক্ষমতার জন্য দায়ী। সাইবেরিয়ান জিনসেং নামে আরেক ধরণের গাছ আছে, যা জিনসেং বলে ভূল করা হলেও তা আসলে প্রকৃত জিনসেং না।

জিনসেং ও লিংগোত্থানে অক্ষমতাঃ

জিনসেং এর গুনাবলীর মধ্যে সবচেয়ে বেশী যা প্রমানিত তা হলে, পুরুষের লিংগোত্থানে অক্ষমতা রোধে এর ভূমিকা। ৪৫ জন ইরেকটাইল ডিসফাংশন (লিংগোত্থানে অক্ষম ব্যাক্তি) এর রোগীর উপর একটি পরীক্ষা চালান। তাদের কে ৮ সপ্তাহের জন্য দিনে ৩বার করে ৯০০ মিগ্রা জিনসেং খেতে দেয়া হয়, এরপর দুই সপ্তাহ বিরতি দিয়ে আবার ৮ সপ্তাহ খেতে দেয়া হয়।

তাদের মধ্যে ৮০% জানান যে, জিনসেং গ্রহনের সময় তাদের লিংগোত্থান সহজ হয়েছে। ২০০৭ সনে এ ৬০ জন ব্যাক্তির উপর করা এবং এ ৯০ জন ব্যাক্তির উপর করা অনুরুপ আরো দুটি গবেষনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ সালের একটি গবেষনায় বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে, জিনসেং কিভাবে লিংগোত্থানে সহায়তা করে। পুরুষের যৌনাংগে নামে বিষেশ ধরণের টিস্যু থাকে। নাইট্রিক অক্সাইডের উপস্থিতিতে এই টিস্যু রক্তে পরিপূর্ণ হয়ে লিংগোত্থান ঘটায়। জিনসেং সরাসরি দেহে নাইট্রিক অক্সাইডের পরিমান বাড়িয়ে লিংগোত্থানে সহায়তা করে।

জিনসেং ও দ্রুত বীর্যস্খলন

যদিও কাচা জিনসেং এর মূল এই রোগে কিভাবে ব্যবহার করতে হয় তা জানা যায়না তবে জিনসেং এর তৈরী একটি ক্রীম পুরুষদের দ্রুত বীর্যস্খলন রোধে বিশ্বব্যাপী ব্যবহার হয়ে আসছে যা মিলনের একঘন্টা আগে লিঙ্গে লাগিয়ে রেখে মিলনের আগে ধুয়ে ফেলতে হয়। তে ২০০০ সনে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী এটি বীর্যস্খলনের সময় কাল কার্যকরী ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন ভাবে বাড়ায়। আসলে, জিনসেং শব্দটাই এসছে চাইনিজ শব্দ “রেনসেং” থেকে। “রেন” অর্থ পুরুষ ও “সেন” অর্থ “পা”, যৌনতা বৃদ্ধিতে এর অনন্য অবদান এর জন্যই এর এইরকম নাম (অবশ্য এটি দেখতেও পা সহ মানুষের মত)।

জিনসেং ও ডায়াবেটিস

২০০৮ সনে ১৯ জন টাইপ ২ ডায়বেটিস এর রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী জিনসেং টাইপ ২ ডায়বেটিস ম্যানেজমেন্টে কার্যকরী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

জিনসেং ও কোলেস্টেরল

এ ২০০৩ সালে প্রকাশিত একটি গবেষনা অনুযায়ী, দিনে ৬ মিগ্রা হারে ৮ সপ্তাহ জিনসেং গ্রহণ খারাপ কোলেস্টেরল যেমন- এর মাত্রা কমাতে ও ভালো কোলেস্টেরল বা এর মাত্রা বাড়াতে সহায়তা করে।

জিনসেং ও ফুসফুসের রোগঃ

হচ্ছে ফুসফুসের অন্যতম কমন রোগ। এই রোগীদের শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, বুকে কফ থাকে ও কারো কারো ফুসফুসের ক্ষয় ঘটে। এ ২০০২ সনে প্রকাশিত ৯২ জন রোগীর উপর করা গবেষনা অনুযায়ী ১০০মিগ্রা ডোজে ৩ মাস জিনসেং গ্রহণে সার্বিক ভাবে এর অবস্থার উন্নতি হয় বলে প্রমাণিত হয়েছে।

Ei Nastikder Bangladesh Theke Ber kore deoa Hok.

সাবধান👻 সাবধান,
নিজের অজান্তেই মৃত্যুর দিকে যাচ্ছেন না তো????

প্রথমেই বলি এখানে কোনো, হার্বাল বা সিমকো কোম্পানির দালাল থাকলে বের হয়ে যেতে পারেন,না হলে আমি তাকে খুন করতেও দিধা বোধ করবোনা..

আক্ষেপের কথা শুনে অনেকে হয়তো ভাবছেন,ছেলেটি খুব খারাপ আর বাজে।
ঠিক আছে ভাই আমি বাজে, খারাপ ছেলে, তার আগে আমার কথা মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

বর্তমানে প্রত্যেকটা এলাকায়, বিশেষ করে জেলা শহর গুলোতে আনাচে কানাচে গড়ে উঠেছে হারবাল সেন্টার নামে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া প্রতিষ্ঠান যাদের বিজ্ঞাপন গুলো বিভিন্ন সময়ে আপনারা মুভির মাঝে বা সংবাদপত্রে বা পোস্টার ব্যানারে দেখে থাকবেন যারা রোগ মুক্ত হবার 100% গ্যারান্টি দেয়। প্রত্যেকটি ফার্মেসিতে গিয়ে খোজ করবেন আমলকি রসায়ন নামে আয়ুর্বেদিক কিছু ঔষধ পাবেন যা খেলে মুখের রুচি বৃদ্ধি পায় এবং কিছুদিনের মধ্যেই আপনার স্বাস্থ্য ফুলে যাবে।
এবার পয়েন্ট আকারে বলি এগুলোর অপকার এবং উপকারঃ
অপকারঃ ১। হারবাল সেন্টারে যে লোভনীয় বিজ্ঞাপন গুলো দেখানো হয় যে, এক মাসেই স্বাস্থ্যবান হোন, এক সপ্তাহে স্বাস্থ্যবান হোন, মূল্য 1000 টাকা বা 1500 টাকা, এক ফাইলই যথেষ্ট।
আপনি যখন ঔষধটি খাবেন, দুই একদিনের মধ্যেই আপনার স্বাস্থ্য ফুলে যাবে মানে আপনি মোটা হয়ে যাবেন। কিন্তু আসল সত্য হলো আপনি মোটা হচ্ছেননা, আপনার শরীরে স্টরয়েডের( এক ধরনের ড্রাগ) কারনে চামড়ার নিচে পানি জমবে এবং আপনাকে মোটা দেখাবে। এবার ঔষটি ছেড়ে দেবার সাথে সাথেই স্টরয়েড শুকিয়ে যেতে থাকবে এবং আপনি দিন দিন শুকিয়ে যেতে থাকবেন, অবস্থা এতোটাই খারাপ হবে যে আপনি কিছু খেতেও পারবেননা, কোনো স্বাভাবিক কাজকর্ম করতে পারবেননা। একবার ভাবুন আপনি এই ঔষটি খাওয়ার আগে চিকন হলেও আপনি আপনার স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলেন, কিন্তু এখন তা পারবেননা। আপনার শরীরের পেশি দিন দিন শুকিয়ে যেতে থাকবে, কোনো এন্টিবায়োটিক ও কাজে দিবেনা। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা এতো পরিমানে হবে যে, আপনার কল্পনার বাইরে, বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে ছুটবেন, তারা পরিক্ষা করে গ্যাস্ট্রিক ছাড়া কিছু পাবেনা। যারা ঔষধটি দীর্ঘদিন ব্যবহার করবে তাদের লিভার এবং কিডনীতে সমস্যা পাওয়া যাবে।

আমলকী রসায়ন বা আমলকী প্লাস সিরাপগুলোর ক্ষেত্রেও একই রকম।

এখন আসি, সবার কি একই রকম পরিণতী হবে?
না হবে না। অনেকে এই ঔষধ সেবন করে অনেক মোটা হয়ে যাবে, ঔষধ ছেড়ে দেবার ফলে তার ওজন বাড়তেই থাকবে কিন্তু স্বাভাবিক কোনো কাজর্ম করতে পারবেনা। তার অবস্থা এমন হবে যে উপর থেকে তাকে মোটা দেখাবে কিন্তু আপনি তাকে একটা চড় মারলেই স্ট্রোক করবে।

আমলকী প্লাস বা রসায়ন এই ঔষধগুলো সেবন করলে সবার একই পরীণতী হবে। ঔষধ ছেড়ে দেবার সাথে সাথেই সে আগের থেকে বেশি শুকিয়ে যাবে। আরো দূর্বল হয়ে যাকে এবং মৃত্যুও ঘটতে পারে,অনেকটা নেশার মতো, কিছৃ মানুষ আছে নোশা করা ছেড়ে দিলে দূর্বল হয়ে পড়ে, ঠিক তেমনই এই ঔষটি ছেড়ে দিলেই আপনি দূর্বল হয়ে যাবেন, বার বার ইচ্ছা করবে এই ঔষটির কাছে ছুটে যায় আবার সেবন করি, আবার ঔষধটি নিলে আপনি আবার ঠিক হবেন, এভাবে একদিন আপনার লিভার এবং কিডনী এবং হার্ট ড্যামেজ হবে।

আপনি চিকন হলে সেটা সমস্যা না, আপনি দূর্বল হলে, ব্ল্যাড পরীক্ষা করে দেখুন আপনার শরীরে কিসের অভাব, সেটার চিকিৎসা করুন এবং ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করুন এবং ঘুমান। যারা এই ঔষধ খাচ্ছেন এখনি ছেড়ে দিন। বেচে যাবেন।

উপকারিতাঃ 000000000000%

অর্থাৎ ০.১% উপকারিতাও পাবেননা।

এটা কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এবং আমাদের ঔষধ অনুমোদন প্রতিষ্ঠানকারীদের ষড়যন্ত্র শর্টকাটে বড়লোক হবার জন্য।ভাই, বোন আমি নিজে ভুগতেছি, আরো অনেকে আছে মারাও গেছে। আপনাদের পায়ে পড়ি, যেভাবেই আছেন নিজের বাবা মায়ের বুকে থাকুন, সন্তান রোগা হলেও বাবা মায়ের কাছে তা হিরার টুকরা। আপনি আপনার বাবা মায়ের কাছে হিরার টুকরা হয়ে থাকুন, কারন সন্তান হারানোর ব্যাথা কোনো বাবা মা সহ্য করতে পারেনা।

অশেষে, হারবাল, চট্রগ্রামের ঔষধ, আমলকি রসায়ন বা প্লাসের কোনো ব্যাবসায়ী জানোয়ার, জারজ সন্তান যদি থেকে থাকিস, কমেন্টে বলিস যে আমি আছি, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে খুজে বের করে জ্যান্ত পুতে ফেলবো, অলরেডি তিন জনকে অবস্থা খারাপ করেছি।

ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।

মাঝে মাঝে মনে হয় মনের দুঃখে জঙ্গলে চইলা যাই
কিন্তু,জঙ্গলে যাইয়া কোথায় মোবাইল চার্জ দিমু

মরণ কথা হয়না স্মরণ দেহে যখন থাকে যৌবন
কেউ জানে না কবে কখন কবজ হবে সাধের জীবন।

Emon Premer gusti killai.atta hotta Moha paap

06-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4049 জন)
প্রশ্নঃ চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আর কোন এ্যান্টিবায়টিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে ঐষধ (এ্যান্টিবায়িটিক) এর অপব্যবহার মানব সভ্যতা ধ্বংশের জন্য দায়ি হবে। কারণ অনাকাঙ্ক্ষিত/অসম্পূর্ণ এ্যান্টিবায়িটিক ডোজ প্রয়োগের ফলে মানব শরীরে একসময় আর কোন এ্যান্টিবায়িটিক কাজ করবে না। বর্তমানেই বিভিন্ন হসপিটালে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে, এ অবস্থা অব্যাহত থাকলে সামান্য রোগেই চোখের সামনে রোগী মারা যাবে। বাংলাদেশের সব চেয়ে বড় সরকারি হাসপাতাল কোনটি?
(A) স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ
(B) শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ
(C) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
02-Jul-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 4207 জন)
প্রশ্নঃ রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। -- ক্যান্সার হতে পারে এ জন্য নিচের কোন মাছটি খাওয়া নিষেধ?
(A) পিরহানা মাছ
(B) তেলাপিয়া মাছ
(C) পটকা মাছ
29-Jun-2019 তারিখের কুইজ
(অংশগ্রহণ করেছেন: 3261 জন)
প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মোট আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিমি ছিল। ছিটমহল বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশের আয়তন হয় ১,৪৭,৬১০ বর্গকিমি। বাংলাদেশের কোন জেলাটির সাথে ভারত ও মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে?
(A) রাঙামাটি
(B) কক্সবাজার
(C) নোয়াখালী